করোনা পরবর্তী পৃথিবীতে টিকে থাকার হাতিয়ার মেধা: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, করোনা পরবর্তী বিশ্বে অনিবার্য পরিবর্তনে খাপখাইয়ে টিকে থাকাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার হাতিয়ার হচ্ছে মেধা। যে জাতি যত বেশী এই মেধাসম্পদ কাজে লাগাতে পারবে চলমান চতুর্থ শিল্প বিল্পব বা ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবে তারা ততটা সফল হবে।বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবি।
ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ আয়োজিত করোনা পরবর্তী চ্যালেঞ্জ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী। রোববার রাতে অনুষ্ঠিত ওয়েবিনারে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্টেটস অব বাংলাদেশ কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ, সোহেল কাশেম এবং মাহবুব আহমেদ প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
এসময় দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৬৫ভাগ তরুণকে ডিজিটাল শিল্প বিপ্লব উপযোগী করে গড়ে তুলে বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করার প্রত্যয়ের কথা ব্যক্ত করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী।
মেধাকে সত্যিকারভাবে কাজে লাগাতে পারলে আগামী দিনে বাংলাদেশের জন্য কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে না উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, বিদ্যমান ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট (জনমিতি) অনুযায়ী ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের বড় শক্তি। তাদেরকে মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে সুযোগ কাজে লাগাতে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর অপরিহার্য।
মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে ধীরে ধীরে কায়িক শ্রমের অস্তিত্ব থাকবে না। কায়িক শ্রম মেধানির্ভর শ্রমে পরিণত হবে । কায়িক শ্রমে নিযুক্ত দেশে ও দেশের বাইরে বিশাল শ্রম শক্তির জন্য এটি হবে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এটা মোকাবেলার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।